Panchayat Election – An Acid Test for Mamata

রাজ্য সরকারকে সতর্ক করার সুযোগ কাজে লাগান

গৌতম দেব

পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে মজাদার যুদ্ধ চলছে। নির্বাচন কমিশনকে শ্রীমতী মমতা তার সরকারের হালকা মাপের একটি দপ্তরে পরিণত করেছেন। আর নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মের খানিকটা বর্তেছে কোর্টের উপর, বাকিটা মহাশূন্য। এয়ার গ্যাপে পড়লে প্লেনের যে দশা হয় তাই হচ্ছে মাঝে মধ্যে।

মমতার ক্ষমতা থাকলে পঞ্চায়েত, পৌরসভা তুলে দিতেন। এত জায়গায় ক্ষমতার ভাগাভাগি তার না-পসন্দ। মন্ত্রীদের যিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেন না তিনি মানসিক দিক থেকে স্বৈরাচারী ডি এন এ-তে আক্রান্ত তা বলাই বাহুল্য। এতো সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ পর্যন্ত একদিনও সময় পেলেন না রাজ্যের ১৮টি জেলার সভাধিপতিদের নিয়ে একটি সভা করার। জেলা পরিষদে বামেদের প্রাধান্য থাকলেও জেলার পর জেলায় সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলীদের সংখ্যাধিক্য আছে। তেমন জেলাতেও সমিতির সভাপতি, পঞ্চায়েতের প্রধানদের নিয়ে কোন সভা উনি করেছেন এমন নজির নেই।

বাধ্য হয়ে ভোট করতে হচ্ছে। যদিও কাজের কথাটা হচ্ছে, এখনও উনি সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন যাতে ভোটটা শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যায় এবং অফিসাররা পঞ্চায়েত চালায়। অথচ অবান্তর বকে যাচ্ছেন — গত বছর শীতে উনি নাকি ভোট চেয়েছিলেন। উনি বলে বেড়াচ্ছেন — এক বছর আগে পঞ্চায়েত ভোট উনি করতে চেয়েছিলেন। কে ওনাকে বোঝাবে যে, সমস্ত নিয়মকানুন অগ্রাহ্য করে, পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত পঞ্চায়েতকে চার বছরে শেষ করার উনি কে? কাল যদি প্রধানমন্ত্রী বলেন যে পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ভোট চার বছরের মাথায় করবেন, তাহলে ওনার মাথায় কি বাজ পড়বে না? চারদিকে মারামারি চলছে। আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ছে। তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত সব বিরোধী দল।

পঞ্চায়েত ভোটের জন্য প্রচুর পুলিস দরকার। রাজ্যের এবং বাইরের, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোন প্রস্তুতি নেই। পুলিস ছাড়া কলেজের ভোটও এখন হচ্ছে না। পঞ্চায়েত নির্বাচনের তো প্রশ্নই ওঠে না। আনন্দের সঙ্গে গর্বভরে রাইটার্সে ঘোষণা করলেন — দিল্লি জানিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে পারবে না, কোন রাজ্য থেকে ফোর্স পাঠানোর চিঠি আসেনি। বিশ্বাস যাতে করে (ওনাকে অবিশ্বাস করে এটা জানেন) তাই কেন্দ্রীয় সরকারের চিঠির ডি ও নাম্বারও জানিয়ে দিলেন। অর্থাৎ আমার হাত পরিষ্কার। এখন যা এই রাজ্যের মধ্য দিয়ে জুটবে তাই দিয়ে ভোট করো। সাথে আছে সবুজ, নীল হরেক রঙের এক হপ্তার ট্রেনিংপ্রাপ্ত পুলিস।

কমিশন, সরকার, আদালত ব্যস্ত শুনানি পালটা শুনানিতে। এদিকে মাঠে-ময়দানে বাইক বাহিনী তার অপারেশন ‘নো ভোট ইন্‌ আদার ওয়ে’ … কার্যকর করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। হাজার হাজার কেন্দ্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অর্থাৎ ‘নো ভোট’ — তৃণমূল জয়ী। অন্য কোন নমিনেশনই জমা পড়েনি। এর পর ‘‘স্বেচ্ছায়’’ প্রত্যাহারের পালা। একটু বন্দুকের নল ছুঁয়ে দেওয়া, গুলি তো চলেনি। বাড়ির টালি চুরমার, এজবেস্টাস্‌ উধাও — দেওয়াল তো আছে। স্ত্রীকে থান পাঠানো হয়েছে; স্বামীকে খুন তো করা হয়নি? ‘‘স্বেচ্ছায়’’ বিরোধী দলগুলির দলে দলে নাম প্রত্যাহারের পর দেখা যাবে হাইকোর্ট বুথপিছু যা পুলিস দিতে বলেছে, কেন্দ্র ও অন্য রাজ্য না দিলেও রাজ্যের পুলিসেই কুলিয়ে যাবে। অঙ্কে মমতার মাথা ভালো।

বাকি থাকলো প্রচার আর পড়ে থাকা আসনগুলিতে ভোট। কেউ জানে না কত মৃত্যু, কত রক্ত এই সময়ে ঝরবে। এত ঝুঁকি নিয়ে, যে পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় আস্থা অথবা বিশ্বাস নেই, তার নির্বাচনে ‘‘বিপুল বিজয়’’ কেন মমতার কাছে এত জরুরী? হাওড়ার ভোট হয়ে গেল। জয়টা তৃণমূলীরা উপভোগ করতে পারছে না। কারণ, অন্দরমহলের খবর — আসলে পরাজয় হয়েছে। বালি, উত্তর হাওড়ায় বাইপাস অপারেশন আর বি জে পি’র বদান্যতা বাদ দিলে বাম প্রার্থীর জয় অবধারিত ছিল। মমতা নিজে পাড়ায় পাড়ায় প্রচার করার পরেও। এর আগে হল তিনটে বিধানসভার উপনির্বাচন, দুটোতে শুধু হারল না, তিনজনের মধ্যে তৃতীয় হল! ইংলিশবাজারে কংগ্রেস কৃষ্ণেন্দুর সাথে একজোটে ভোট করে ওকে জিতিয়েছে। মমতা বা তৃণমূলীদের বড় একটা কৃতিত্ব নেই। মমতার জনমোহিনী ক্ষমতা কমছে। এটা মমতা নিজেও তার জনসভাগুলির দিকে তাকালে বুঝতে পারছেন।

এই পটভূমিকায় আসছে দেশের ভোট। অনেকের সঙ্গে মমতারও বিশ্বাস আগামী বছরের মে মাসে না করে হঠাৎ করে এবছরের নভেম্বর/ ডিসেম্বর মাস নাগাদ লোকসভার ভোট কেন্দ্রীয় সরকার ডেকে দিতে পারে। কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞাপন গত মাস থেকে দেশের সর্বত্র সব মিডিয়াতে দেওয়া শুরু হয়েছে। একবছর ধরে এই বিপুল সম্ভারের বিজ্ঞাপন কেউ দেয় না। ওতে বিজ্ঞাপনের ভাষায় কাউন্টার প্রোডাক্টিভ্‌ হবে। অর্থাৎ লোকে বিরক্ত হবে। ২/৩ মাস চলে। তার পর Code of conduct. তাই বিজ্ঞাপন চলবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের তাড়াহুড়োর অন্যান্য দিকগুলো রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের নজরে পড়ছে, তাই মমতার রক্তচাপ বাড়ছে। বিধানসভার উপনির্বাচন এবং হাওড়ার ভোট সেই রক্তচাপ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। কি করবে তৃণমূল? কখনও মমতা বলছেন আঞ্চলিক দলগুলিকে এক করব। অর্থাৎ বামদের বাদ দিয়ে তৃতীয় ফ্রন্ট। কেউ কেউ বলছেন মমতা, মায়াবতী, জয়ললিতা এক হয়ে তৃতীয় ফ্রন্টের জন্মের ধাত্রীর কাজ করবেন। কঠিন, প্রায় অসম্ভব রসায়ন। বিস্ফোরকও বটে। ফায়ার ব্রিগেড, অ্যাম্বুলেন্স প্রচুর সংখ্যায় রেডি থাকতে হবে। এই পছন্দ (option) অলীক বুঝে মমতা বাজিয়ে দেখছেন কংগ্রেসের সাথে ‘লিভ টুগেদার’ আবার শুরু করা যায় কিনা।

হঠাৎ সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন — মনে রাখবেন হাওড়ায় আমাদের ৪৬; আর কংগ্রেসের ১০, মোট ৫৬ শতাংশ ভোট। এছাড়া ‘শোকাহত’ মমতা হাওড়া ভোটের ক’দিন আগে কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে বললেন — জঙ্গীপুর লোকসভায় কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী দেয় নি, কংগ্রেসের জয় সহজ করে দিয়েছে। অথচ কংগ্রেস হাওড়ায় প্রার্থী দিয়ে দিলো! কিন্তু কংগ্রেস যদি মমতার SOS -এ সাড়া না দেয়? হাওড়ায় মমতার মান বাঁচানো বি জে পি নির্ভরযোগ্য মিত্র। মমতা প্রধানমন্ত্রী, রাহুল সবাইকে ইচ্ছামত গাল পাড়েন, কিন্তু বি জে পি ও তার তারকা নেতা-নেত্রীদের সম্পর্কে টুঁ শব্দটি করেন না; বি জে পি’র শীর্ষ নেতারা মমতাকে সার্টিফিকেট দিয়ে যাচ্ছেন। নতুন একটি তত্ত্ব মমতা তৈরি করছেন। তা হল ‘বাংলার বি জে পি’ সি পি এম-কংগ্রেসের সাথে মিলে এই রাজ্যে ষড়যন্ত্র করছে। অর্থাৎ সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বি জে পি মমতার টার্গেট লিস্টের বাইরে। আর তাছাড়া ভোটের আগে বি জে পি’র বিরুদ্ধে কথা বলে ভোট মিটে যাবার পর বি জে পি-কে ‘শর্তাধীনে’ সমর্থন করলে ভোটারদের আর কি করার আছে? আগেও বি জে পি সরকারে উনি থেকেছেন। তখন যুক্তি ছিল – বাজপেয়ীর সাথে আছি; NDA’র সাথে আছি — বি জে পি’র সাথে নেই। সেরকম একটা গল্প প্রয়োজনে বানিয়ে নেওয়া যাবে।

কিন্তু আসল কথা বাজার দর। বাজার দর পড়ে গেলে সব প্ল্যান ভেস্তে যাবে। বিধানসভার উপনির্বাচন, হাওড়ার নির্বাচন সারা দেশে ভাল সিগন্যাল পাঠায় নি। তাই পঞ্চায়েত ভোট শুধুমাত্র আর একটা ভোট না। ওদের অস্তিত্ব রক্ষার ভোট। যেভাবেই হোক পঞ্চায়েতে বিপুল জয় সুনিশ্চিত করে দিল্লিতে বার্তা পাঠাতে হবে। মমতার সেক্রেটারি জেনারেল মুকুল ঘোষণা করেছেন লোকসভায় ৩২টি আসন পাবে। নরম স্বভাবের মানুষ কংগ্রেসের সভাপতি প্রদীপবাবু জানিয়েছেন কংগ্রেস ১২টা সিট জিতবে। দুই দলে হল ৪৪। আসন ৪২! বামদের জন্য BPL card?

হিসাবমত আরো তিন বছর মমতার সরকার রাইটার্সে থাকবে। ফেলে আসা দুই বছর মমতাকে ভোট দেওয়া মানুষদেরও খুশি করতে পারেনি। দায়সারাভাবে দুই বছর উদ্‌যাপন করল তৃণমূলীরা। একবছর পালনের সঙ্গে গুণগত ও পরিমাণগত পার্থক্য সকলের নজরে পড়েছে। যতগুলো দল মমতার সাথে ছিল তারা প্রায় সবাই ওনাকে ত্যাগ করেছে। জঙ্গলমহলে নতুন করে হিংসার মেঘ আনাগোনা করছে। তৃণমূলের নেতাদের জেড ক্লাসের নিরাপত্তা দিতে হচ্ছে। পাহাড় ছেড়ে গুরুং ডুয়ার্স দখলের জন্য নেমে এসেছে। নিজের দলে মারামারি-খুনোখুনি দ্রুত বাড়ছে। রাইটার্সে মারামারি হওয়াটা শুধু বাকি। অসম্ভব অসত্য ভাষণে পটিয়সী মুখ্যমন্ত্রী। বলেন সাহসের সঙ্গে। মাইনরিটির কোন সমস্যা তার মেটানো বাকি নেই। দুই বছরে ‘১০ লক্ষ ছেলে-মেয়ে চাকরি পেয়ে গেছে’, হাজার হাজার কোটি টাকা শিল্পে বিনিয়োগ হচ্ছে। বোরো চাষ এক-তৃতীয়াংশ জমিতে করা গেল না, অথচ ধান উৎপাদন বেড়ে গেছে।

১০০ দিনের কাজের পয়সা লুট হচ্ছে। অথচ রাজ্য দেশে নাকি প্রথম হয়েছে। সারদা কোন সমস্যাই না। অথচ ওনার তৈরি শ্যামল সেন কমিশনে ৭/৮ লক্ষ আমানতকারীর অভিযোগ জমা পড়েছে। এক নেতা বুক চিতিয়ে ঘোষণা করছেন — খেজুরীতে ভোটটা আমিই করব। আর এক নেতা ভগবানের নামে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া ষাঁড়ের মতো শিং তুলে হুঙ্কার দিচ্ছেন — তৃণমূল ছাড়া কাউকে নমিনেশন জমা দিতে দেবেন না। মন্ত্রী বলছেন — সি পি এমের হয়ে কেউ দাঁড়ালে তাদের বাড়ি গিয়ে এমনভাবে বোঝান যাতে ভোটে দাঁড়াবার ইচ্ছা পরিত্যাগ করেন। এদিকে রাইটার্সে সরকার অচল। দিন যত এগোচ্ছে প্রশাসন এবং পুলিসের উপর সরকারের যে নিয়ন্ত্রণ থাকা দরকার তা দুর্বল হচ্ছে। যত্রতত্র, যাকে তাকে অপমান করা অনেকেরই আত্মসম্মানে খোঁচা দিচ্ছে। ধীরে হলেও।

সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাজ্য। বাকি তিনবছর মমতা সরকারে মন দিক — এটা আমরা চাই। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ একটা বড় সুযোগ পাচ্ছেন সরকারে রেখেও মমতাকে সতর্ক করে দেওয়ার। এবং প্রধান দায়িত্ব যারা মমতাকে ক্ষমতায় এনেছেন তাদের। মমতার যা টাইপ, জিতলে বুঝবে সব ঠিক হ্যায়। দল, সরকার, নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনা জরুরী — সেব্যাপারে ভ্রু‍‌ক্ষেপ করবে না। হারলে হয়তো বা বাধ্য হবে, দলটা দল চালাবার কায়দায় কিছুটা চালাতে। মুকুলের মাধ্যমে যা ইচ্ছা তাই করার আগে পাঁচবার ভাববে। সরকারের মন্ত্রীরা কিছুটা নিজস্ব উদ্যোগ বাড়াতে পারেন। স্বয়ং মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে অনেক পরিবর্তন আনতে হবে। নিজেকে সব কিছুর ঊর্ধ্বে তুলে ধরার প্রবণতা ধাক্কা খাবে। গণতন্ত্রে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়। অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যেখানে অনায়াসে সরকার-বিরোধীরা একসাথে কথা বলতে পারেন।

মানুষ চায় বামপন্থীদের মধ্যে কিছু পরিবর্তন আসুক। কিছু ব্যাপার সংশোধন করুক। পরপর কয়েকটা ভোটে সেটা স্পষ্ট হয়েছে। বামফ্রন্টে আসন রফার প্রশ্নে যে ঐক্য হয়েছে তা এককথায় অভূতপূর্ব। প্রচুর সংখ্যায় কমবয়সী প্রার্থী দাঁড় করানো হয়েছে। সংশোধনের অযোগ্য নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে; পার্টির মধ্যে লাগাতার প্রচার চলছে। মানুষের সমর্থন পেলে পঞ্চায়েত পরিচালনায় সেই সব পরিবর্তনের বিষয়ে সাধারণ মানুষ অনেকটাই নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। রাজ্য সরকারে মমতা — পঞ্চায়েতে বামপন্থীরা। সুস্থ প্রতিযোগিতা চলুক। মানুষ উপকৃত হবেন। সরকার ভাল চলছে না পঞ্চায়েত। হোক প্রতিযোগিতা। কে গরিবের পক্ষে বেশি কাজ করছে দেখুক মানুষ। সরকার এবং বিরোধীদের মধ্যে বোঝাপাড়ার একটা বাস্তবতা তৈ‍‌রি হবে। নীতিগত পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও। পশ্চিমবাংলার সচেতন গ্রামবাসীরা নিজেদের স্বার্থে, এমনকি তৃণমূলের সাথে থাকা মানুষও রাজ্যে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বামপন্থীদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। এই বিশ্বাস আমাদের আছে।

Advertisements

Tags: , , , , , , , , ,

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s


%d bloggers like this: